পৃষ্ঠাসমূহ

সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১১

 

Swami_Vivekananda_2

শত সহস্র নিপীড়িত ভারতবাসী মাঝে
ক্লান্ত এক জাতি নামে বাঙালী
ছিল তারা বাঙালী হয়ে, মানুষ হয়ে নয়
তারই মধ্যে জন্মিল সে বীরসন্ন্যাসী
বিবেকের ডাকে ছাড়ল যে সংসার
বিশ্বদরবারে  প্রতিষ্ঠা করল
সুপ্রাচীন হিন্দুধর্মের অধিকার
করল ঘোষণা দৃপ্তকণ্ঠে
"বহুরূপে সম্মুখে তোমার
ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর
জীবে প্রেম করে যেই জন
সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।"

রাতের পর রাত কেটে যায়
জেগে আছি আমি
আর আধপোড়া স্বপ্নগুলো
জেগে আছে চোখের কোণে

শুক্রবার, ৩ জুন, ২০১১

ক্রুদ্ধসংগীত

 

মনের এই ক্যানভাসে যে  ছিল পাতাজুড়ে

কী আশার আকর্ষণে ছুটেছে আজ  বাঁধন ছিঁড়ে

পড়ে যে রইল পিছে আবেগ সে এক ভবঘুরে

কিসের ওই বড়াই  যে তার সবই যাবে ধুলোয় মিশে  

কখনও বোঝেনি সে   সব আভরণ পড়বে খসে

দেখবে সবাই তারে চিনবে তারে ভালো  করে


দেখবো তখন তোরে ফিরিস কি তুই আমার তরে

সোমবার, ৯ মে, ২০১১

আমাদের রবীন্দ্রনাথ

 

রবীন্দ্রনাথ আমাদের কে? একটা সময় এই প্রশ্নটা বারবার মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতো। ছোটোবেলা থেকেই দোতলার বারান্দায় তাঁর একটি ছবি টাঙানো থাকতে দেখতাম। পরে শুনেছিলাম ওটি আমার পিতামহের আমলের। খুবই অদ্ভুত লাগতো, একজন সম্পুর্ণ অচেনা ব্যাক্তি যার সাথে আমাদের পরিবার এর কোনও সম্পর্ক নেই, তার ছবি কিভাবে এত যত্ন সহকারে এতদিন ধরে (পিতামহের  মৃত্যু ১৯৪৮ সালে) রাখা আছে। ছবির নিচে পিতামহের হস্তাক্ষ্যরে কবির একটি গানের দুটি লাইন আমার মনে আছে।

“নয়ন সমুখে তুমি নাই
  নয়নের মাঝখানে নিয়েছ যে ঠাঁই”

বড় হওয়ার পর কথাটার মানে বুঝতে পারলাম। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে প্রতিটি জীবের দেহ নশ্বর। কবিরাও এর ব্যাতিক্রম নন। কিন্তু কখনও কখনও জীবের সৃষ্টি এই নিয়ম কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অমরত্ব লাভে সক্ষম হয়। সমগ্র বিশ্বে অল্পসংখ্যক কিছু মানুষ এই বিরল কৃতিত্বের অধিকারী। রবীন্দ্রনাথ তাঁদের মধ্যে অন্যতম, সম্ভবত তাঁদের থেকে কিছু বেশী।

রবীন্দ্রনাথ এমন একজন মনিষী যিনি শুধুমাত্র তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্য দিয়ে বিখ্যাত নন। সুদূর পাঞ্জাব এর জালিয়ানওয়ালাবাগ কাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি ত্যাগ করেন তাঁর নাইটহুড, বৈদিক তপোবন এর ন্যায় শান্তিনিকেতনে গড়ে তোলেন ব্রহ্মচর্‍যাশ্রম, বীরভূম জেলার গরিব মানুষদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে তাদের কুটিরশিল্পের শিক্ষ্যা দেন। শান্তিনিকেতন আজও সমগ্র বিশ্বের কাছে ভারতবর্ষের গর্ব। সেখানে আমাদের দেশের সাথে সাথে জার্মানি, জাপান চীন ও আরও বিভিন্ন দেশ থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন বিষয় এর পাঠ নিতে আসে। বীরভূম এর লাল মাটি হয়ে ওঠে বিশ্বসংষ্কৃতির মিলনক্ষেত্র।

 

tagore_1890_london

এবার আসা যাক তাঁর সাহিত্যপ্রসঙ্গে। রবীন্দ্রনাথ সারাজীবনে লিখে গেছেন উপন্যাস, কবিতা, গান, নাটক, ছোটগল্প, রম্যরচনা, প্রবন্ধ। এমনকি তাঁর লেখা চিঠিপত্রও সাহিত্যিক গুণমানে মণি মানিক্যের সমান। আজ  তাঁর মৃত্যুর ৭০ বছর পরও তাঁর সৃষ্টি অমলিন। আজও রবীন্দ্রসঙ্গীত ছাড়া কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভাবাই যায় না। আজও কোনও শিল্পীর মাপকাঠি হল রবীন্দ্রসঙ্গীতে তাঁর পারদর্শীতা। অবাক হয়ে যাই যখন দেখি আমার ৩ বছর বয়সী বোন রবীন্দ্রসঙ্গীত এর তালে তালে নেচে ওঠে।
আমার বুক গর্বে ভরে ওঠে যখন দেখি ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারত ও বাংলাদেশ এর খেলোয়াড়রা একই কবির লেখা জাতীয়সঙ্গীত গেয়ে ওঠেন।
তাঁর মৃত্যুর এত বছর পরেও তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা নিয়ে রাজনীতিকরা প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠেন।

অতএব রবীন্দ্রনাথ আমাদের জীবনের সাথে মিশে গেছেন, আজ তাঁকে আমরা চাইলেও অস্বীকার করতে পারিনা। সম্ভবত আজ থেকে কয়েকশত বছর পরেও হয়ত পারব না। আজ বুঝতে পারি রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও রবীন্দ্রনাথ ধর্ম-শ্রেণী নির্বিশেষে সকল বাঙালির আত্মীয়।
তাই রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন

                           
     ”সকল খেলায় করবে খেলা এই আমি
                                  কে বলেগো সেই প্রভাতে নেই আমি”

মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১১

আমার মেঘলা আকাশ,
আনমনা মণ,
নিঝুম নিঝুম শব্দ.........
এই জীবনে তাকে পেয়ে ,
খুশি কে করেছি রপ্ত

মেঘের মাঝে রোদের খেলা,
বৃষ্টির আনা গোনা ,
মনের মাঝে করেছি তোমারে,
আমার মনের সোনা ।

কি লিখবো র ভেবে না পাই,,
এই বৃষ্টি কে আমি চাইলাম ,
এই স্মৃতির মাঝে, মনের ঘরে,
তারেই মনে আঁকলাম.........

সোমবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১১

তোর
মতন
বন্ধু কে মনে রাখা যায়.............

শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১১

নতুন অতিথি

 

আজ এই ব্লগ এ পোস্ট করার জন্য আমার ৩ ঘনিষ্ঠ বন্ধু কে আমন্ত্রন জানালাম। অর্ণব আমার স্কুল এর বন্ধু এবং স্কুল এ পড়ার সময় থেকে সাহিত্য সৃষ্টিতে পারদর্শী। কৌশিক হল কবির অনলাইন লড়াই এ আমার সঙ্গী এবং আমার খুব ভাল বন্ধু। তন্ময় এর সাথে আজ অবধি মুখোমুখি দেখা হয়নি। তবে ফেসবুক এ ওর কিছু লেখা পড়েছি। আমার মত পাগলাটে হলেও লেখার গুণগত মান সত্যি ভাল।

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১১