বিশ্বকাপ জ্বরে আক্রান্ত গোটা বিশ্ব।পিছিয়ে নেই কলকাতা।(?)।পাড়ায় বেরোলেই শুনতে পাবেন কচিদা সোনাদাকে বলছে “আরে রোনাল্ডোটা ওই ইজি গোল মিস্ করলো।আমি কোচ থাকলে দিতাম কানের গোড়ায় একটা”।বিবাদি বাগের মেজ সেজ বাবু সহজ কিস্তিতে ঘরে আনছেন বাজারচলতি টেলিভিশন,আগে খেলুন থুড়ি দেখুন পরে ছাড়ুন(আরে মালকড়ি) স্কীমে।এধার ওধার পত্পত্ করে উড়ছে তেরঙা(কেন আর্জন্তিনার আকাশি-সাদা-আকাশি আর ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ-নীল)।বিভিন্ন রেস্তোঁরায় ২৫% ছাড়ে বিকোনো লাতিন আমেরিকান খানার লোভ কি ছাড়া যায়।ভোটের পরে কাজ হারানো দেওয়াল লিখিয়েরা ব্যস্ত গাল লিখন এ।
বিশ্বাস করুন লজ্জা লাগে যখন দেখি বিভিন্ন চ্যানেলে বিশেষজ্ঞ(নাকি বিশেষ অজ্ঞ)মগ্ন থাকেন ৬৭ বা ৭৮ বা ৮২ সালে তিনি কি করেছিলেন(?)সেই স্মৃতি রোমন্হনে।এরা কি রামমোহন,রবীন্দ্রনাথ,স্বামিজীর উত্তরসূরী বাঙালী,এরা কি সেই বাঙালী যাদের উদ্দেশ্যে গোখলে বলেছিলেন “What Bengalis think today India thinks tomorrow”.১২০ কোটির দেশ থেকে যাদের ১১ টা বিশ্বকাপার জন্মায় না তাদের এসব মানায়।না কি এটাও একটা festival.
যবে এইসব বিশেষজ্ঞদের আমরা ভুলতে পারবো তবেই কিছু করা সম্ভব তার আগে নয়।
নিজে বাঙালী বলে বাংলাকে ভালোবাসি বলে লিখতে বাধ্য হলাম “রেখেছ বাঙালী করে মানুষ কর নাই”।
আরেকটা কথা জার্মানির খেলা দেখছেন তাদের জাত্যাভিমানটাও দেখুন।
মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০১০
কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি
শ্রদ্ধেয় সুবোধবাবু
আপনি আর নেই।বিশ্বাস করতে পারছি না।আমাদের স্কুল কে আপনি হৃদয় দিয়ে ভালোবাসতেন।স্কুলের চেয়ার টেবিলগুলো ছিলো আপনার দেহস্বরুপ।কেউ চেয়ার টেবিল ফেলে দিলে আপনি প্রচন্ড রেগে যেতেন।তখন অবাক লাগলেও এখন বুঝি।
আপনার জলদগম্ভীর ইংরেজী উচ্চারণ অনঅনুকরনীয়।
একটা ঘটনা আজ খুব মনে পড়ছে।আপনি উচ্চমাধ্যমিক এর টেস্ট পরীক্ষার বাংলা খাতা দেখে আমায় ১০০ এর মধ্যে ৬৭ দিয়েছিলেন।আমাকে বললেন তোকে শালা ১০ নম্বর কম দিয়েছি।তুই ৭৭ পেয়েছিস।তোকে ৭৭ দিলে তুই শালা আর পড়াশোনা করবি না।স্যর we salute you.এই ঘটনাটা আমার সারাজীবন মনে থাকবে আপনি কি অসম্ভব ঠিক ছিলেন।কখনও কখনও জেতার জন্য হারতে হয়।
আপনানার সাথে শেষ দেখা ২০০৭ সালে যমুনাভবনে স্কুলের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে।
আর কি বলব।আপনি যেখানেই আছেন ভালো থাকবেন।আমআদের আশীর্বাদ করবেন।
আপনার হতভাগ্য ছাত্র
ইন্দ্রনীল লাহিড়ী
আপনি আর নেই।বিশ্বাস করতে পারছি না।আমাদের স্কুল কে আপনি হৃদয় দিয়ে ভালোবাসতেন।স্কুলের চেয়ার টেবিলগুলো ছিলো আপনার দেহস্বরুপ।কেউ চেয়ার টেবিল ফেলে দিলে আপনি প্রচন্ড রেগে যেতেন।তখন অবাক লাগলেও এখন বুঝি।
আপনার জলদগম্ভীর ইংরেজী উচ্চারণ অনঅনুকরনীয়।
একটা ঘটনা আজ খুব মনে পড়ছে।আপনি উচ্চমাধ্যমিক এর টেস্ট পরীক্ষার বাংলা খাতা দেখে আমায় ১০০ এর মধ্যে ৬৭ দিয়েছিলেন।আমাকে বললেন তোকে শালা ১০ নম্বর কম দিয়েছি।তুই ৭৭ পেয়েছিস।তোকে ৭৭ দিলে তুই শালা আর পড়াশোনা করবি না।স্যর we salute you.এই ঘটনাটা আমার সারাজীবন মনে থাকবে আপনি কি অসম্ভব ঠিক ছিলেন।কখনও কখনও জেতার জন্য হারতে হয়।
আপনানার সাথে শেষ দেখা ২০০৭ সালে যমুনাভবনে স্কুলের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে।
আর কি বলব।আপনি যেখানেই আছেন ভালো থাকবেন।আমআদের আশীর্বাদ করবেন।
আপনার হতভাগ্য ছাত্র
ইন্দ্রনীল লাহিড়ী
রবিবার, ২৭ জুন, ২০১০
খুঁজে ফিরি
কিছুদিন আগে আলাপ হল বাংলাদেশ এর মধুখালি নিবাসী সুব্রত কুমার দাস এর সাথে।ভদ্রলোক Bangladesh Library Resource Centre এর প্রেসিডেন্ট।উনি মধুখালি জেলার কোড়কদি গ্রাম নিয়ে ১০ বছর গবেষণা করছেন।কোড়কদি গ্রামে আমার পূর্বপুরূষরা থাকতেন।তাই ওই গ্রাম সম্পর্কে আমার কৌতুহল অনেকদিনের।ওনার কাছে কোড়কদি সম্পর্কে অনেক তথ্য পেলাম।পূর্বপুরুষের গ্রাম সম্পর্কে জানতে পেরে ভালো লাগছে।
শনিবার, ৫ জুন, ২০১০
SantiNiketan Visit
Kalabhaban. The home of culture
he Brhma Mandir was designed by Silpaguru Abanindranath Tagore.Photography is prohibited in this area.You cannot take snap of the Mandir.I took this snap aonly after permission of the director of Visvabharati.
"Santiniketan". This house was reserved for only Tagore family and important guests.After his sacred thread ceremony Kabiguru stayed here with his father Maharshi Debendranath Tagore.
Gramchara oi rangamatir Poth
Historical chatimtala
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)